* শিক্ষা * শান্তি * প্রগতি

* জয় বাংলা * জয় বঙ্গবন্ধু

বঙ্গবন্ধুর ভাষ্কর্য অবমাননার প্রতিবাদে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

বঙ্গবন্ধুর ভাষ্কর্য অবমাননার প্রতিবাদে ছাত্রলীগের বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ

কুষ্টিয়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষ্কর্য ভাঙ্গার প্রতিবাদে ও জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে ছাত্রলীগ।

আজ শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর ২৩ বঙ্গবন্ধু এভিনিউ দলীয় কার্যালয়ে ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের নেতৃত্বে সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মী এ বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের কর্মসূচি পালন করে। মিছিলটি রাজধানীর জিরো পয়েন্ট ও গুলিস্তানের আশেপাশের সড়ক ঘুরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।

বিক্ষোভ মিছিল শেষে ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় বলেন, ‘যারা রাতের অন্ধকারে চোরের মত জাতির পিতার ভাস্কর্য ভেঙেছে, দিনের আলোয় পারলে সামনে আসেন। যদি আপনাদের এত ঈমানি শক্তি থাকে।’

ধোলাইপাড়ে বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য নির্মাণের বিরোধিতাকারী হেফাজত নেতা মামুনুল হককে তিনি বলেন, ‘কান ধরে উঠবস করেও কিন্তু দিশা পাবেন না। একজনের পিঠের চামড়াও কিন্তু থাকবে না।’

জয় বলেন, ‘ওরা ফেসবুকে বড় বড় কথা বলে। সাহস থাকলে সামনে আসুন। আমি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি, একাই চলি, আমি একাই একশ। ছাত্রলীগের প্রতিটি নেতা-কর্মী একাই একশ।’

বিজয়ের মাসে জাতির পিতার ভাস্কর্যের অবমাননা পাকিস্তানপন্থি ছাড়া আর কারও কাজ না উল্লেখ করে ছাত্রলীগ সভাপতি বলেন, ‘আপনার আপনাদের পেয়ারের পাকিস্তানের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছেন। পাকিস্তানের ভালোবাসা এখনো ছাড়তে পারে নাই।’

ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ‘দেশের স্বাধীনতা বিরোধী একটি চক্র বার বার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। কখনোই তারা সফল হতে পারেনি। এখন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাস্কর্য নিয়ে নতুন করে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এর আগে আমরা প্রতিবাদ করেছি। এবার প্রতিরোধের সময় এসেছে।’

তিনি বলেন, ‘দেশকে অস্থিতিশীল করতে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বিএনপি-জামায়াতসহ পাকিস্তানি দোসররা। জাতির পিতার প্রতি কোন অসম্মান করা হলে কাউকেই ছাড় দেয়া হবে না।’

তিনি আরো বলেন, ‘সম্প্রীতির বাংলাদেশে উগ্রবাদের স্থান হবে না। বঙ্গবন্ধুর বাংলায় মৌলবাদের ঠাঁই নেই। যারা জাতির পিতার নির্মাণাধীন ভাস্কর্য ভাঙচুর করেছে তাদের অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে শাস্তির দাবি করেন তিনি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয়, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসানসহ কেন্দ্রীয় নেতারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।