নেত্রকোনা জেলাধীন কলমাকান্দা উপজেলা রংছাতি ইউনিয়নের বিশাউতি গ্রামের ছাত্রলীগের একনিষ্ঠ কর্মী প্রয়াত আল মামুনের পরিবারের কথা মনে রেখেছেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। এবার ঈদে নিজের অর্থায়নে ছাত্রলীগ সভাপতি জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক নিজ সংগঠনের কর্মী মরহুম আল-মামুনের বাবা, মা ও ছোট ভাইকে ঈদের পোষাক, নগদ অর্থ ও ঈদ সামগ্রী হিসেবে উপহার দিয়েছেন।

২০২০ সালের ২৫ই অক্টোবর কলমাকান্দা উপজেলা ছাত্রলীগ কর্মী আল-মামুনের মৃত্যুটা ছিলো আকস্মিক এবং হৃদয়বিধায়ক। মৃত্যুর পূর্বে মরহুম আল-মামুন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবর তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখে গেছেন,
“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা আপা, সভাপতি
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ
আমি আপনার রাজনৈতিক দলের সহযোগী সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কলমাকান্দা উপজেলা শাখার একজন ক্ষুদ্র কর্মী হিসেবে অন্যায়ের প্রতিবাদ, সৎ সাহস ও বুকে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ ধারণ করে দেশ ও সমাজকল্যাণে নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছি সবসময়। কখনও নিজের ভবিষ্যৎ ও পরিবারের কথা চিন্তা করিনি। এমতাবস্থায় ব্যাপক আর্থিক সংকট ও পরিবারের বড় ছেলে হিসেবে সংসারের দায়িত্ব নেয়া পাহাড় সমতুল্য।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি যদি দয়া করে আমার পরিবারকে আর্থিক সাহায্য প্রদান করতেন তাহলে বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে আমার পরিবারের এত কষ্টে দিন কাটত না, কিছুটা হলেও সুখের সন্ধান পেত।’

এতদিনে হয়তো অনেকেই আল-মামুনের কথা ভুলে গেছে কিন্তু মামুনের প্রাণের চেয়ে প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, আল-মামুন এবং তার পরিবারের কথা আজও ভুলেননি।

ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এবং সহযোগিতায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে দেশরত্ন শেখ হাসিনার ঈদ-উপহার সামগ্রী, আল-মামুনের বাবা-মা এবং ছোট ভাইয়ের জন্য নতুন জামা-কাপড় এবং নগদ অর্থ নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের সাবেক স্কুল ছাত্র বিষয়ক উপ-সম্পাদক আশিকুর ফারাস দুদুলের মাধ্যমে আল-মামুনের বাবার হাতে তুলে দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্ন বাস্তবায়নে নিরবে নিভৃতে কাজ করে যাওয়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে মরহুম আল-মামুনের পিতা রফিকুল ইসলাম ধন্যবাদ জানিয়েছেন।