শেরপুরের নকলা উপজেলার ২নং নকলা ইউনিয়নের ছতরকোনা এলাকার এক বিধবা দরিদ্র বর্গাচাষী নারীর বোরো ধান কেটে তার বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দরা।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ৮ টা থেকে ধান কাটা শুরু করে দুপুর সাড়ে ১২ টা পর্যন্ত ৪০ শতক জমির ধান কাটেন তারা। পরে বিকেল সাড়ে ৩ টা পর্যন্ত ওইসকল ধানের আটি বিধবা দরিদ্র বর্গাচাষী হালিমার বাড়িতে পৌঁছে দেওয়া হয়।

নকলা উপজেলা ছাত্রলীগ কর্মী আবু হামযা কনকের নেতৃত্বে উপজেলার বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত একদল ছাত্রলীগ কর্মী এ ধান কাটা কর্মসূচিতে অংশ নেয়।

স্বেচ্ছাশ্রমে এ ধান কাটা কর্মসূচিতে অংশ গ্রহনকারীদের মধ্যে- নাজমুল হাসান নাঈম, শাওন হাসান, মেহেররাজ ইমতিয়াজ জিসান, অভ্র বণিক, মজিদ, সৌরভ, রাজু, রকি, রাকিব, তরিকুল, আল আমিনের উপস্থিত ছিলেন।

দরিদ্র কৃষাণী বিধবা হালিমা বলেন, ছাত্ররা আমার ধান কেটে দেওয়ায় আমি খুব উপকৃত হলাম। তারা আমার ধান কেটে নাদিলে টাকার অভাবে সঠিক সময়ে ধান কাটা সম্ভব হতোনা। ফলে হয়তোবা অনেক ধান নষ্ট হতো।

আবু হামযা কনক বলেন, দেশজুড়ে ধান কাটা শ্রমিকের মজুরি তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় ও দেশে করোনা ভাইরাস এর কারণে অনেক গরীব অসহায় হতদরিদ্র কৃষক শ্রমিকের অভাবে ধান কাটতে পারছেন না। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবং বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পরামর্শক্রমে আমরা দরিদ্র কৃষকদের ধান কেটে দেওয়ার কর্মসূচি হাতে নিয়েছি। দেশ ও জাতির উন্নয়নে আমরা এরকম অসহায় বর্গাচাষী তথা দরিদ্র কৃষকদের পাশে আছি এবং ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকবো ইনশাআল্লাহ। তারা ধান কাটা ছাড়াও উপজেলার চরঅষ্টধর, পাঠাকাটা ও চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের দরিদ্র কৃষকদের ক্ষেত থেকে ভূট্টা তুলে দেওয়ার কাজ হাতে নিয়েছেন বলে জানান আবু হামযা কনক।