ঝড়ে তুফানে ধান পড়ে যাওয়া এবং বৃষ্টিতে হাঁটু সমান পানির কারণে কোন শ্রমিক ধান কাটতে আগ্রহী নয়, এতে চরম বিপাকে পড়েছে কৃষক। সেই ধান কেটে দিলো কুমিল্লার মেঘনা উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

২৫ শতাংশ জমির পাকা ধান কাটার নেতৃত্ব দেন মেঘনা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মোঃ শাহীন সরকার। কাটা ধান নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কৃষকের বাড়ি পৌঁছে দেন তিনি।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নির্দেশে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের নির্দেশনায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কৃষকের পাকা ধান কেটে দেওয়ার যে কার্যক্রম হাতে নিয়েছে, তারাই ধারাবাহিকতায় মেঘনা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি প্রার্থী মোঃ শাহীন সরকার নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কৃষকদের ধান কেটে দেন।

ধান কাটা প্রসঙ্গে মোঃ শাহীন সরকার বলেন, ‘ঝড়ে ধান পড়ে এবং বৃষ্টিতে জমে থাকা ক্ষেতে হাঁটু সমান পানি জমায় কোন শ্রমিকই দান কাটতে আসতে চাচ্ছিলো না। এদিকে পানিতেই ধান পঁচার উপক্রম হওয়ায় আমরা নিজেরা উদ্যোগ নিয়ে ধান কেটে দেয়।
শাহীন আরো বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সব সময় বিপদগ্রস্থ মানুষের পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। তারই অংশ হিসেবে বিপদগ্রস্ত কৃষকের পাশে দাঁড়িয়ে তাঁর ধান কেটে দিয়েছি। আমাদের এই ধান কাটা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।’

কৃষক জয় মিয়া বলেন, ‘গতকালের ঝড়ে আমার জমির ধান হাঁটু পানিতে ডুবে যায়। কিন্তু ধান কাটার জন্য শ্রমিক পাচ্ছিলাম না। ছাত্রলীগের ভাইয়েরা ধান কেটে দেয়ায় আমার অনেক উপকার হয়েছে।’

মোঃ শাহীন সরকারের নেতৃত্বে ধান কাটা কার্যক্রমে আরো অংশ নেন গোবিন্দপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ তুজাম্মেল সরকার, গোবিন্দপুর ইউনিয়নের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবীব সোহাগ, আবু সাঈদ, হানিফ, আছমত, মানিক, জাফর ইকবাল, রাকিব, সাকিব, ফয়সাল সরকার, সজিব প্রমুখ।