দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদেরকে বঙ্গবন্ধুর ইতিহাস জানাতে সাদা ছড়ি, বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী ও কারাগারের রোজনামচা বইয়ের অডিওবুকসহ মেমোরি কার্ড ও এমপিথ্রি স্পিকার দিয়েছে ছাত্রলীগ। সংগঠনটির নেতারা বলছেন, ‘দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদেরকেও বঙ্গবন্ধুর সম্পর্কে জানাতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মোজাফফর আহমদ মিলনায়তনে প্রতিবন্ধী শিক্ষা ও পুনর্বাসন সংস্থার আয়োজিত ইফতার মাহফিল থেকে এসব জিনিসপত্র বিতরণ করা হয়। এর আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য। ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় বলেন, ‘ছাত্রলীগ দেশ, অধিকার ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে সংগ্রাম করে থাকে। একসময় প্রতিবন্ধীরা বিভিন্ন ধরনের প্রতিবন্ধকতার শিকার হতো। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার পরম মমতায় কোনো ধরনের প্রতিবন্ধীই আজ সমাজের অভিশাপ নয়। সমাজে সাধারণ মানুষের মতোই সম্মান দিয়েছেন তিনি। প্রতিবন্ধীরা এখন আমাদের সমাজের বোঝা নয়, আমাদের সম্পদ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা প্রতিবন্ধীদের জন্য যেসকল কর্মকাণ্ডে নিরলসভাবে করে যাচ্ছেন, তা বাস্তবায়নে আমাদের সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।’

এ সময় তিনি ছাত্রলীগ অতীতের ন্যায় সবসময় প্রতিবন্ধীদের পাশে থাকবে বলে প্রত্যয় ব্যক্ত করেন এবং সকলকে প্রতিবন্ধীদের পাশে থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সুযোগ পেলে প্রতিবন্ধীরাও জাতির কল্যাণে অবদান রাখতে পারে।

সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ‘আপনারা প্রত্যেকেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী শিক্ষার্থী, আপনারা পরবর্তীতে দেশের বিভিন্ন স্তরে পৌঁছে দেশ ও জাতির উন্নয়নে অবদান রাখবেন। আপনারা এখন সমাজের বোঝা নন, সমাজের সম্পদ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা প্রতিবন্ধীদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছেন। ১৯৯৬ সালে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর সমাজকল্যাণ মন্ত্রনালয়ের মাধ্যমে প্রতিবন্ধীসহ সমাজের পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য নতুন দিনের সূচনা করেছেন। দেশরত্ন শেখ হাসিনা প্রতিবন্ধীদের সকল সুযোগ সুবিধা দিতে সুবর্ণ নাগরিকের পরিচয় পত্র দিয়েছেন। প্রতিবন্ধীদের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধাসহ ভাতার ব্যবস্থা করেছেন। প্রতিবন্ধীদের জন্য কর্মসংস্থান, ঘর দেওয়া হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমাদের অভিভাবক মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার সুযোগ্য কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল সমাজের সব ধরনের প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিকদের নিয়ে কাজ করেন। প্রতিবন্ধীরা যেন সমাজে বেঁচে থাকতে পারেন সে ব্যবস্থা করেছেন তিনি।’

সূত্র: সময়ের আলো