পাকা ধান কাটতে কোন শ্রমিক না পাওয়ায় বিপাকে পড়া কৃষকের ৩০ শতাংশ জমির পাকা ধান কেটে দেন মেঘনা উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোঃ শাহীন সরকারের নেতৃত্বে উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

৩০ শতাংশ জমির পাকা ধান কেটে নিজেরা বহন কৃষকের বাড়ি পৌঁছে মাড়াই করে দেন তারা।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আহবানে, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যের নির্দেশনায় এবং কুমিল্লা উত্তর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আবু কাউছার অনিক ও সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) গাজী বোরহান উদ্দিন ভূঁইয়ার অনুপ্রেরণায় মেঘনা উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা প্রার্থী মোঃ শাহীন সরকার নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে কৃষকদের ধান কেটে দেন।

ধান কাটা প্রসঙ্গে মোঃ শাহীন সরকার বলেন, ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ এ দেশের জন্মলগ্ন থেকেই দেশ যখন দুর্বিপাকে পড়ে তখন প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে, নিপীড়িত-নির্যাতিত অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করে আসছে। এই বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারিতে আবারো তার প্রমাণ দিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।’

শাহীন আরো বলেন, ‘কুমিল্লা উঃ জেলা ছাত্রলীগের সংগ্রামী সভাপতি আবু কাউছার অনিক ভাই তাঁর পরিবার-পরিজন ও নিজের কথা চিন্তা না করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছেন। করোনা আক্রান্ত মৃত বাবার লাশ যখন ছেলে দাফন কাফন করতে এগিয়ে আসেনি, তখন অনিক ভাই দায়িত্ব নিয়ে লাশ দাফন সম্পন্ন করেন। তারই অনুপ্রেরণায় আমরা মেঘনা উপজেলা ছাত্রলীগ মানুষের সেবায় কাজ করে যাচ্ছি।’

কৃষক রহিম বলেন, ‘আমার ক্ষেতের ধান পেকে গেছে কিন্তু ধান কাটার জন্য কোন শ্রমিক পাচ্ছিলাম না। ছাত্রলীগের ভাইয়েরা নিজেরা আমার ধান কেটে মাড়াই করে দিয়েছে।’

মোঃ শাহীন সরকারের নেতৃত্বে ধান কাটা কার্যক্রমে আরো অংশ নেন সরকারি মানিকারচর বঙ্গবন্ধু ডিগ্রি কলেজ ছাত্রলীগ নেতা নাহিদুল ইসলাম, গোবিন্দপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু তাহের, আইন বিষয়ক সম্পাদক মিরাজ, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ফাহিম আহম্মেদ নাজির, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আহসান হাবীব সোহাগ, মেঘনা উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোঃ শরীফুল ইসলাম, ফয়সাল, রাকিব, সজীব, সাকিব, মানিক, সজলসহ অনেকে।