* শিক্ষা * শান্তি * প্রগতি

* জয় বাংলা * জয় বঙ্গবন্ধু

ধর্ষকদের বয়কটের ডাক দিয়ে নুরু গংদের প্রতি কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ ছাত্রলীগের

ধর্ষকদের বয়কটের ডাক দিয়ে নুরু গংদের প্রতি কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ ছাত্রলীগের

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক ভিপি নুরু গং ও ধর্ষণে সহায়তাকারীদের অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাল বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

পাশাপাশি যত ধরনের ধর্ষণ, যৌন নিপীড়ন আছে, সেই ধর্ষকদের বয়কট করার ডাক দিয়েছে। একই সাথে কঠোর হুশিয়ার উচ্চারণ করে বলেছে, তাদের যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই গণধোলাই দিয়ে আইনশৃংখলাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়া হবে।

রবিবার সকালে রাজু ভাস্কর্যে ঢাবি ছাত্রলীগ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

এই বিক্ষোভ সমাবেশে কঠোর হুশিয়ারি উচ্চারণ করেন নেতারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীকে ধর্ষণ, নিপীড়ন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের সাথে সম্পৃক্ত অপরাধীদের এবং সিলেটের এমসি কলেজ, খাগড়াছড়ি ও সাভারে ধর্ষণের সাথে জড়িত সকলের গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় ও সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে এবং সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেনের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন নেতাকর্মীরা ।

ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, আমরা কিন্তু বসে নাই।

আমরা গত দুইদিন আমরা চিন্তা করলাম। আমাদের তথাকথিত সুশীল সমাজ, তথাকথিত ‍শিক্ষকরা দেখলাম যে, সিলেটের এমসি করেছে যে ধর্ষণ করেছে তার কোনকিছু না বলে তারা বারবার ছাত্রলীগকে দোষারোপ করছে। ধর্ষকের তো কোন দল নেই। ধর্ষকরা পৃথিবীর কুলাঙ্গার। এই কুলাঙ্গারদের কোন দল নেই।

আমরা স্পষ্ট করে বলছি, ধর্ষকদের কোন দল থাকবে না। এই নিকৃষ্টতম প্রাণী কুলাঙ্গার সে যেই হোক, তাকে বিচার করতে হবে।

ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তারা চুপ হয়ে যায় নাই। তারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছু বলছে আপানাদের।

কিন্তু আপনারা যদি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তথা সারা বাংলাদেশকে জঙ্গিবাদে রূপান্তর করার যে ষড়যন্ত্রে গেছেন, আপনাদের একজনকেও কিন্তু আমরা ছাড় দিবা না। যেখানেই জামায়াত শিবির পাওয়া যাবে সেখানেই আমরা তাদেরকে প্রতিহত করবো। জনেত্রী শেখ হাসিনাকে নিয়ে যারা ধৃষ্টতা দেখাবে তাদেরও কিন্তু কোন ছাড় দিবো না।

আমার শিক্ষার্থী বোন ফাতেমা, তাকে বলতে চাই, আপনার ভাইরা, আপনার বোনেরা আজকে আপনার পাশে আছে, আপনার ভয় নেই। আপনি এগিয়ে যান। আমাদের আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীকে বলতে চাই, ওই নুরু গংদেরকে, ওই ধর্ষণে সহায়তাকারীকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানাচ্ছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে নিয়ে যাদের এতো চুলকানি। তারা একটু রাতে ঘুমানোর আগে ভাববেন। ছাত্রলীগ আছে দেখেই এই করোনাকালে কি দেখিয়েছে? বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নিজরো জীবন বাজি রেখে আপনাদের পাশে গিয়ে, আপনাদের সাথে গিয়ে যেকোন সমস্যার সমাধানে এক হয়েছিল। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ সবসময় এই কাজ করে। কিন্তু কোন মিডিয়া কোন সুশীল সমাজ তা স্বীকার করতে চায় না।

কিন্তু এইবার যখন মানুষকে বাসায় বসে থাকতে হয়েছে, তখন কিন্তু তারা দেখেছে, আসলেই যে ছাত্রলীগ কাজ করে। এই কাজ শুধু তারা করোনার করেছে তা না, যুগে যুগে এই কাজ করে আসছে ছাত্রলীগ।

কিন্তু সবাই ছাত্রলীগের জনপ্রিয়তাকে মনে হয় ভয় পায় উল্লেখ করেন জয়।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় চলে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে চলে। যত ধরনের ধর্ষণ যৌন নিপীড়ন আছে, এই ধর্ষকদের আমরা বয়কট করবো। তাদের যেখানেই পাওয়া যাবে, সেখানেই গণধোলাই দিয়ে আইনশৃংখলাবাহিনীর হাতে তুলে দেয়া হবে।